পদোন্নতির সার্বিক অগ্রগতি এবং দীর্ঘদিনের শিক্ষকদের বিশেষ চাহিদা প্রসঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহিনা আল-ফিরদৌসি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি বন্ধ থাকায় জ্যেষ্ঠতা তালিকা প্রণয়নের কাজ অত্যন্ত স্পর্শকাতর হয়ে পড়েছে। এই অগ্রগতি সঠিকভাবে সম্পন্ন না হলে, অনেক সিনিয়র এবং যোগ্য শিক্ষক তাদের প্রাপ্য পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকতে পারে। তিনি আরও বলেন যে শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করছেন এবং আমরা তাদের অনুভূতি গভীরভাবে বুঝতে পারি। অতএব, আপগ্রেড প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া যত দ্রুত সম্ভব সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
2 জুন, দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আপিল চেম্বার স্কুলের অধ্যক্ষের পদোন্নতি সংক্রান্ত সমস্ত আইনি জটিলতার সমাধান করে। এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর দেশব্যাপী মোট ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৬ হাজার ২৩৫টি শূন্য পদে সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির আইনি ও প্রশাসনিক পথ উন্মুক্ত হয়।
