ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে, তেহরান দীর্ঘদিন ধরে অস্বীকার করে আসছে যে তারা হুথিদের তাদের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা তৈরিতে সহায়তা করছে। হুথি মিডিয়া বিষয়ক কর্মকর্তা আব্দুল রহমান আল-আহানামও ওই বিমানের একজন যাত্রী ছিলেন। তিনি দাবি করেন, সামরিক বিশেষজ্ঞ পাঠানোর অভিযোগ ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’।
আল-আহনউমি দাবি করেছেন, বিমানের সব যাত্রীই বেসামরিক। এর আগে, হুথিরা তাদের ইরানী এজেন্ট বা ছায়া বাহিনী বলে অভিযোগ অস্বীকার করেছিল। তারা নিজেদের অস্ত্র তৈরির দাবি করে।
অন্যদিকে, সৌদি সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারের তথ্যমন্ত্রী মুয়াম্মার আল-ইরানি বলেছেন, গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী ইরানের বিপ্লবী গার্ডের সদস্য ও সামরিক সরঞ্জাম ইয়েমেনে আনা হয়েছে। তার মতে, লক্ষ্য ছিল হুথিদের সামরিক সক্ষমতা বাড়ানো, যা লোহিত সাগর এবং বাব আল-মান্দাব প্রণালীতে আন্তর্জাতিক সমুদ্র নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ।
আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক মাজেম আল-সাল্লুম বলেছেন, বিমানটিতে স্বল্প ও মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনের সঙ্গে যুক্ত উপাদান ছিল। তিনি দাবি করেন, এর আগেও সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিরুদ্ধে একই ধরনের সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছে।
