ওই দিনের ঘটনা তুলে ধরে সি সুলতানুর মঙ্গলবার রাতে প্রথম আলোকে বলেন, ১৪ জুন দুপুর আড়াইটায় ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই তরুণীকে স্টুডিওর মেঝেতে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় স্টুডিওর মালিক নামিম ও তার এক বন্ধু জানান, দুপুরে স্টুডিওতে এসে দরজা ভিতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। এরপর তিনি তার চারপাশের দরজা ভেঙ্গে দেখতে পান ওই তরুণী তার ওড়নাসহ ভেতরে সিলিংয়ে আটকে আছে। সেখান থেকে দেখলেন তার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে গেছে।
এ সময় ওই তরুণীর শরীরে কোনো নির্যাতনের চিহ্ন দেখতে পাননি বলে তদন্তকারী কর্মকর্তা সুলতান রহমান জানান এবং গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানান। প্রথমে আত্মহত্যা বলে মনে হয়েছিল। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ বলা যাবে।
