নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এনামুল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, ভারি বর্ষণে খোটাখালীর স্রোতে পানির প্রবাহ বেড়ে গেলে স্থানীয় লোকজন এভাবে যানবাহন ও মালামাল পারাপার করত। বিষয়টি প্রশাসনের নজরেও এসেছে। তিনি ভিডিওটি দেখেছেন। খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন সেখানে কোনো গর্ভবতী মহিলা নেই।
ভাইরাল ভিডিওর ক্যাপশনে উল্লেখিত তথ্যের বিষয়ে জানতে চাইলে সোনালী নিউজের বার্তা সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, তাদের চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ‘ডেলিভারি রোগী চট্টগ্রামের লোকজন খাল পারাপার করেছে’ দাবি করে ভিডিওটি পাঠিয়েছেন। সেটাই তারা প্রকাশ করেছে।
এই ভিডিওটি যাচাই করা হয়নি স্বীকার করে তিনি বলেন, তথ্য সংশোধন করে নতুন প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।
অর্থাৎ ‘ডেলিভারি রোগী খাল পেরিয়ে, চট্টগ্রামবাসী’ দাবি করে ভাইরাল ভিডিওটি যেভাবে ছড়িয়ে পড়ছে তাতে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। খাল কাঁধে ভাসানোর ঘটনা সত্য হলেও তা চট্টগ্রামের নয়। আর সেখানে কোনো প্রসূতি নারীর কোনো প্রমাণ নেই।
