দীর্ঘদিন ধরে ওয়াহিদার খোঁজ করেননি কেন জানতে চাইলে সিকেত ইসলাম নামে এক ব্যক্তি, যিনি নিজেকে ওয়াহিদার ভগ্নিপতির স্বামী পরিচয় দেন, তিনি বলেন, ২৫ বছর আগে ওয়াহিদা বেগম যখন বাড়ি থেকে চলে যান, তখনকার পরিস্থিতি আমাদের বোঝা উচিত। তার আট ভাইবোনের মধ্যে বড় ভাই ছাড়া বাকি সবাই বাকশক্তিতে ভুগছেন। এই ভাইকে ঘিরে সব এলাকায় ওয়াহিদাকে খোঁজা হয়েছে। তিন বছর খোঁজাখুঁজির পর স্বজনরা হাল ছেড়ে দেন। পরে বিগ ব্রাদার মারা গেলে তাকে খোঁজার কেউ ছিল না। তাদের পরিবার ও আত্মীয়দের মধ্যে ২০ জন বাক প্রতিবন্ধীতায় ভুগছেন। ২৫ বছর পরও যদি আমরা তার (ওয়াহিদা) কবর দেখতে পাই, তা শান্তিপূর্ণ,” বলেন সিকেত ইসলাম। আমরা মিঠিকান্দা স্টেশন ও এর আশেপাশের এলাকার মানুষের কাছে অনেক ঋণী, যারা ওয়াহিদা বেগমকে নিরাপদে রেখেছে।

মিঠিকান্দা রেলওয়ে থানা কর্তৃপক্ষ জানায়, দুই বছর আগে এক বিকেলে এই স্টেশনে থামানো একটি ট্রেন থেকে নেমেছিলেন ওয়াহিদা, যিনি বাকশক্তিতে ভুগছিলেন। তারপরে তিনি কোথাও যাননি, এবং স্টেশনের একটি পরিত্যক্ত ঘরই ছিল তার আশ্রয়স্থল। তিনি বিনা বেতনে প্ল্যাটফর্ম ঝাড়ু দেওয়া এবং টয়লেট পরিষ্কার করা সহ বিভিন্ন পরিষ্কারের কাজ করেছেন। স্টেশন ও আশেপাশের লোকজনসহ অনেকেই তাকে চিনতেন। কেউ খাবার দেয়, কেউ ৫-১০ টাকা দিয়ে সাহায্য করে। তিনি এই অর্থ ব্যয় না করে দুই শতাব্দী ধরে সংরক্ষণ করেছিলেন। এবার তার সেই টাকা চুরি করার পালা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *