তিনি তার স্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নিতে অভিবাসনের আবেদনও করেছিলেন। ভিকটিম এলাকার বাসিন্দা ও কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট আতাউর রিপন প্রথম আলোকে বলেন, ‘দেশ থেকে ফেরার পর স্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু করেন ফাহিম। এদিকে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান তিনি। এই ঘটনায় আমরা সবাই গভীরভাবে মর্মাহত ও ব্যথিত।’

ফাহিমের ছোট ভাই মির্জা তামিম জানান, স্থানীয় সময় শনিবার (১১ জুলাই) লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরপর জানাজা ও দাফনের সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।

তামিম আরও বলেন, দুর্ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পরিবারের পক্ষ থেকে একজন আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনার সঠিক কারণ জানতে লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *